সাহেবজাদায়ে বরুণী আল্লামা খলীলুর রহমানের জানাজায় মানুষের ঢল

প্রকাশিত: ৫:২৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০২০ | আপডেট: ৫:২৫:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০২০

বিশেষ সংবাদ দাতা। লন্ডন টাইমস নিউজ। বাংলাদেশের সিলেটের বিখ্যাত আলেমে, বুযুর্গ, আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের আমীর, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সহসভাপতি, ঐতিহ্যবাহী বরুণা মাদরাসার সদরে মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস আল্লামা খলীলুর রহমান সাহেবজাদায়ে বরুনীর নামাজে জানাজা আজ শুক্রবার বাদ জুম্মা নিজ মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় করোনার ভয় ভীতি উপেক্ষা করে মানুষের ধল নামে। জুমুআর নামাজের আগেই মসজিদ মাদরাসা এবং আশপাশ এলাকা কানায় কানায় পুর্ণ হয়ে যায়। একটা সময় শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার রোড থেকে বরুণা রোডে সবধরনের যানবাহন চলাচল প্রশাসন বন্ধ করে দেয়। ফলে ভৈরববাজার থেকে প্রায় ৫ কি.মি. জায়গা পায়ে হেটে বরুণায় আসেন মুসল্লিরা। ভক্তকুলের ঢল নামায় তা মৌলভীবাজারের ইতিহাসে সর্ববৃহত জানাযায় পরিণত হয়।

জানাযার নামাযে ইমামতি করেন মরহুমের দ্বিতীয় ছেলে ও বরুণা মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা বদরুল আলম হামিদী। বৃহত্তর সিলেট (মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, সুনামগঞ্জ) ও বিবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কুমিল্লা সহ আশপাশ জেলা থেকে আগত লাখ লাখ ভক্ত মুরিদান, ছাত্র শিক্ষক এবং দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ এতে অংশগ্রহণ করেন।

জানাযা শেষে বরুণা মাদরাসা ক্যাম্পাস সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে হযরত শায়খে বর্ণভী রহ.’ পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।জানাযার নামাজের পুর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ, শ্রীমঙ্গলের মেয়র জনাব ফজলুর রহমান, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব নজরুল ইসলাম।
শীর্ষ উলামায়ে কেরামের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আল্লামা মুফতি রশীদুর রহমান ফারুক বর্ণভী, আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলিপুরী, আল্লামা আব্দুল বারী ধর্মপুরী, আল্লামা মাহফুজুল হক, মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, মাওলানা যোবায়ের আহমদ চৌধুরী, মাওলানা সাঈদুর রহমান বর্ণভী, মাওলানা ওলীউর রহমান বর্ণভী, মাওলানা বদরুল আলম হামিদী, মাওলানা মজদুদ্দীন আহমদ, মাওলানা আব্দুল্লাহ্ আকিলপুরী, মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু, মুহাম্মদ মুনতসির আলী, মাওলানা শাহ্ নজরুল ইসলাম, মুফতি হাবীবুর রহমান, মুফতি শামসুজ্জোহা, মাওলানা জামীল আহমদ আনসারী, মাওলানা আব্দাল খান, মাওলানা আনোয়ার আলী, মাওলানা আহমদ বেলাল প্রমুখ।

ইন্তেকালের সময় হযরতের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে, ৫ মেয়ে, নাতি নাতনী ও ছাত্র ভক্ত মুরীদান খলীফা সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য হযরত শায়েখ খলীলুর রহমান মরহুম শায়েখ আল্লামা লুতফুর রহমানের ছেলে। মরহুম পিতার মতো ছেলে শায়খ খলীলুর রহমানেরও সারা বিশ্বের অগণিত ভক্ত মুরীদান ও দাওরায়ে হাদীস শাস্রবিদ অসংখ্য ছাত্র শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।