তিন মাস সুপ্রিম কোর্টে নিষিদ্ধ ইউনুছ আলী আকন্দ

প্রকাশিত: ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২০ | আপডেট: ৬:৫৪:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২০

লন্ডন টাইমস নিউজ।দেশের বিচার বিভাগ নিয়ে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্য করে পোস্ট দেয়ায় সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দকে তিন মাস আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। এই টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আদালত অবমাননার দায়ে ইউনুছ আলী আকন্দকে দোষী সাব্যস্ত করা হল। তাকে আজ থেকে আগামী তিন মাস সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে আইন পেশা পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে।

এর আগে রোববার বিচার বিভাগ নিয়ে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্য করে পোস্ট দেয়ায় ইউনুস আলী আকন্দ সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে। এর পর এ বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিন ঠিক করেছিলেন আপিল আদালত।

রোববারের শুনানিতে দেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, এই আইনজীবী (ইউনুস আলী আকন্দ) একজন হ্যাবিচুয়াল কনটেম্পনার (অভ্যাসগত আদালত অবমাননাকারী)। এর আগেও তিনি তিনবার একই ধরনের অপরাধ করেছেন, তাকে ছেড়ে দিয়েছি। আর কতবার তাকে ছেড়ে দেব? তিনি এবার যে কাজ করেছেন, সেটি কি ক্ষমারযোগ্য? তার যে বয়স (৬১ বছর) তাতে প্র্যাকটিস থেকে অবসর নেয়ার সময় হয়েছে।

দেশে বিভিন্ন ঘটনার পর রিট মামলা করে আলোচিত ইউনুস আলী আকন্দ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচন করে হেরে যান।

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে আবেদন করে তিনি নতুন আলোচনার জন্ম দেন।