ভাইরোলজিস্ট অজুহাতে ১৫ দিনেও চালু হয়নি ভোলা পিসিআর ল্যাব, স্বাস্থ ঝুঁকিতে ২২ লাখ ভোলাবাসী

প্রকাশিত: ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩, ২০২০ | আপডেট: ১২:১০:পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩, ২০২০

ভোলা জেলা সংবাদদাতা। ভাইরোলজিস্ট অযুহাতে ভোলায় পিসিআর ল্যাব স্থাপনের কাজ সম্পুর্ন হলেও গত ১৫ দিনেও চালু হচ্ছেনা। স্বাস্থ ঝুঁকিতে ভোলা ২২ লাখ মানুষ। অসুস্থতার অজুহাতে ভাইরোলজিস্ট ডা. নাজনিন জাহান সুলতানা ভোলায় যোগদানে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন। ভোলার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুল ইসলাম ও সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালি এ তথ্য জানান। ডা. নাজনিন সোমবার তাদেরকে টেলিফোনে অপারগতার কথা জানান। তিনি যোগ না দেয়ায় ১৫ দিনেও ভোলায় করোনা পরীক্ষার জন্য স্থাপিত পিসিআর ল্যাব ও আইসিইউ চালু করা সম্ভব হয়নি।
সিভিল সার্জন জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি আদেশে ডা. নাজনিনকে ভোলার পিসিআর ল্যাবে পোস্টিং দেয়া হয়। করোনা ল্যাব পরিচালনায় অভিজ্ঞ ডা. নাজনিন টাঙ্গাইলের একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেকসে কর্মরত আছেন। তিনি আরও জানান, ভোলার ২২ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১৫ জুন করোনা ল্যাব স্থাপনের কাজ শেষ হয়। ২০ জুন তিনজন ডাক্তারকে পোস্টিং দেয়া হলে নাজনিন ছাড়া অপর দুইজন যোগদান করেছেন। তবে অভিজ্ঞতা না থাকায় তারা করোনা ল্যাব চালাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ফলে ১৫ দিনেও ল্যাবটি চালু করা যায়নি। এর আগে ঢাকার স্যার সফিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ভাইরোলোজি বিভাগের প্রভাষক ডা. নাজমুল হুদাকে ভোলায় পোস্টিং দেয়া হয়। কোয়ারেন্টিনে থাকায় তিনি যোগ দেননি। ফলে করোনা ল্যাব চালু করতে ডা. নাজনিনের ভোলায় যোগদান করা অপরিহার্য বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালি।
ডা. নাজনিন জাহান সুলতানা টেলিফোনে জানান, নদী পাড়ি দিয়ে তার পক্ষে ভোলা যাওয়া সম্ভব নয়। তার একটি শিশুসন্তান আছে। এ ছাড়া একটি সন্তান জন্মের আগে মারা গেছে। তিনি মূলত অসুস্থ। এ নিয়ে দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য ভোলার ২২ লাখ মানুষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিট কর্তৃপক্ষের সুদৃস্টি কামনা করছে। এদিকে ভোলায় বেড়েই চলছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।আতঙ্কে রয়েছে ভোলার ২২ লাখ মানুষ