“সত্য এগিয়ে চলে নির্ভিকতার সাথে, মিথ্যেরা হোঁচট খায় কাঁদাহীন পথে।”

প্রকাশিত: ৬:১৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০২০ | আপডেট: ৬:২৩:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০২০

জ্যেষ্ঠ বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকা।গত প্রায় এক মাসের অধিক সময় ধরে “মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর ১৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস -২০২০ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশত বর্ষ ” উদযাপন সহ নানা বিধ কারণে সারা রাত দিনে ঘুম শব্দটা ছিলোনা – কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, শহিদুল ইসলাম, মোঃজাফর ইকবাল নানটু, মাধবী ইয়াসমিন রুমা এবং আমি মাকসুদা সুলতানা ঐক্যর।

এই ক’জন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার সন্তানদের একমাত্র লক্ষ্য ছিলো কি করে সারা বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ঐক্য ফিরিয়ে আনা যায়!

বৈশ্বিক এই করোনা পরিস্থিতিতে কি করেই বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে এতো বড় সংগঠন এর এতো বিশাল ভাই বোনদের এক পতাকা তলে দাড় করানো যায়!

বাংলাদেশ সহ এই করোনা কালীন সময়ে যেখানে সারা বিশ্বে আজ অবধি এতো বিশাল সমাবেশ হয়নি, সেখানে আমরা মাত্র ৫/৬ জন মানুষ এতো বড় দায়িত্ব ইতোমধ্যে ৮০% সম্পন্ন করে ফেলার পর বাকী ২০% সফল হতে পারবো কি!

দিন রাত এক করে আমাদের এই চেতনা বাস্তবায়নের জন্য মরিয়া হয়ে কাজ করার সপ্তাহখানেক আগে আমাদের কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির এডভোকেট নজরুল ইসলাম, মোঃ মনিরুজ্জামান মনির,আসলাম শিকদার নয়ন, আব্দুর রহমান , ফারুক হোসেন উজ্জ্বল,মাহবুবুর রহমান,বিপ্লব ভাই,মুরাদ,মাসুদ রানা মিন্টু।

এছাড়াও এজিএম মুজাহিদ আল মঞ্জুর,ইব্রাহিম রেজা বেলু, মোহাম্মদ আহসান হাবীব কথা আকতার,ইমতিয়াজ আহমেদ মুন,মেহেদী হাসান ডিআইটি, দীপাবলির দীপা,স্মৃতি ইসলাম, প্রজন্ম কমান্ডের ইপনুর রহমান ,নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের নেতৃবৃন্দ, ভোলা জেলার রাশেদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, যশোর জেলা কমিটি ,শরীয়তপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠন এর ভাই বোনেরা।

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি বিভাগ,মহানগর, জেলা,উপজেলা,থানা কমিটি থেকে আগত সকলের সম্মিলিত ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে এবার আমাদের সংগঠন
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড আয়োজিত সদ্য বিগত ২৭ অক্টোবর, মঙ্গলবার “মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ১৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস ২০২০ এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বর্ষ “এর সকল প্রকার কর্মসূচি অত্যন্ত সফল ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

ধন্যবাদ জানাচ্ছি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর বিভাগ,মহানগর, জেলা,উপজেলা, থানা এবং অন্যান্য সহযোগী সংগঠন থেকে আগত সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ কে।

ধন্যবাদ জানাচ্ছি অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির তত্বাবধানে থেকে শৃঙ্খলার কাজে সাহায্যকারী সকল কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের অন্যন্য নেতৃবৃন্দকে।

অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রকৃত দেশপ্রেম ধারণ করা প্রবাসী ভাই বোনকে। যারা প্রতি মুহুর্তে দেশ-বিদেশ থেকে সর্বক্ষণ আমাদের কর্মকান্ড সফল করতে মানসিক শক্তি, অনুপ্রেরণা,সাহস সহ অসীম মনোবল জুগিয়ে সাথে থেকেছেন। তাদের সকলের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা এবং ভালোবাসা জানাচ্ছি।


এবং আমার বিশ্বাস আপনারা শারীরিক না হলেও মানসিক ভাবে আমাদের সাথে আছেন এবং থাকবেন। আপনাদের এমন অসামান্য অংশগ্রহণের মধ্যদিয়েই আমরা আমাদের ঘোষিত বাংলাদেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপে সফলতা পেয়েছি।

ধন্যবাদ জানাচ্ছি জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং ঢাকা ডিএমপি’র উর্ধতন কর্মকর্তাদেরকে যারা, আমাদের কিছু অবাঞ্চির শত্রুদের মোকাবেলা করে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন অনুষ্ঠান কার্যক্রম কে সফল করতে সর্বাত্মক সাহায্য করেছেন।

স্ব-শ্রদ্ধ চিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছি অনুষ্ঠানে আগত সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা চাচাদেরকে এবং যারা আমাদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মঞ্চ আলোকিত করেছেন – বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংসদ জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, সাংসদ জনাব মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংসদ এডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও দেশ বরেণ্য গীতিকার জনাব এস এম শওকত ওসমান, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও স্বনামধন্য উর্ধতন ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা সহ অন্যান্যদের কে।

অনুষ্ঠানে তাদের প্রাণবন্ত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আমরা সারা বাংলার বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানেরা পেয়েছি অদম্য মনোবল এবং আগামীর পথে বলিষ্ঠতা নিয়ে এভাবেই এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা।