আইসিসির নতুন চেয়ারম্যান বার্কলে

প্রকাশিত: ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২০ | আপডেট: ১০:৪৬:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২৫, ২০২০

এলটিএন।কে হচ্ছেন আইসিসিসির নতুন স্বাধীন সভাপতি- শশাঙ্ক মনোহর পদত্যাগ করার পর থেকেই বিশ্ব ক্রিকেটে এই প্রশ্ন। অবশেষে নতুন চেয়ারম্যান পেয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। দ্বিতীয়বারের ভোটে ইমরান খাজাকে হারিয়ে আইসিসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান গ্রেগ বার্কলে।

গত জুলাইয়ে আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন শশাঙ্ক মনোহর। এরপর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন পাকিস্তানের ইমরান খাজা। ভোটে ইমরানকে হারিয়ে আইসিসির দ্বিতীয় স্বাধীন সভাপতি নির্বাচিত হলেন বার্কলে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত তিনটার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে আইসিসি।

গত সপ্তাহে প্রথম ভোট অনুষ্ঠিত হয়। ওই ভোটে ইমরানের চেয়ে ১০-৬ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন বার্কলে। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফার ভোটে ইমরানকে ১১-৫ ব্যবধানে হারান তিনি। আইসিসির সভাপতি হতে ১৬ ভোটের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেতে হয়।

দ্বিতীয় দফার ভোটে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে যান বার্কলে। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার ভোট নিয়ে বিপাকে ছিলেন বার্কলে। প্রথমবার ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার পাননি তিনি। কিন্তু দ্বিতীয়বার বার্কলের পক্ষে রায় দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের ভোটেই আইসিসির মসনদে বসার সুযোগ হয়েছে বার্কলের।

অকল্যান্ডে জন্ম নেওয়া গ্রেগ বার্কলে পেশায় একজন আইনজীবী। ২০১২ সাল থেকে তিনি নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার (এনজেডসি) একজন পরিচালক ছিলেন। আইসিসিতে এনজেডসির প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছিছেন তিনি। আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ায় এনজেডসির প্রতিনিধি হিসেবে আর থাকবেন না বার্কলে।

আইসিসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত বার্কলে। তিনি বলেন, ‘আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়া আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। আমাকে সমর্থন করায় আইসিসির অন্যান্য পরিচালকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আশা করি, আমরা এক সাথে খেলাটিকে এই মহামারী থেকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব।’

বার্কলের দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতেই অবশ্য বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ সময়ে রাত তিনটার সময় নতুন চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আইসিসির সদর দপ্তর সংযুক্ত আরব আমিরাতে তখন রাত ১টা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের খবরে জানিয়েছে, কেবল নাম ঘোষণার সময়ের কারণেই নয়, নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।