সুলেখা সরকার’র কবিতা

প্রকাশিত: ১২:১০ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০ | আপডেট: ১২:১০:অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০

 

অবশেষ

যাই, দিগন্ত পার করে মৃত্যু রেখে আসি।
এই মৃত্যু নিরক্ষর। ভাষাহীন।
জীবন সাপটে যতটা হাত বাড়াই
ও ব্যবচ্ছেদ লেখে।

আমি সেই পাহাড়ি নিস্তব্ধতা,
শূন্য যার পাশাপাশি হাঁটে।

বৃষ্টি

এইমাত্র তুলিচোখে বৃষ্টি নেমে এল।
কবেকার সেই তুমি লোকাচার ভুলে
নারীদেহে ছাদ এঁকে দিলে।
ফ্রক পরা আমি
যেন অকাল একটি দূত। ঋণী।
কতকাল খাবার জোটেনি,
সহবাস জোটেনি,
সমবেদনা, সংগ্রাহক… না।
দেশে ফিরবে বলে ওদেশে
পাথর ভাঙার শব্দ।
দরজায় চোখ দিয়ে থাকি।

শর্তহীন রতি

অতঃপর
খামখেয়ালি সূর্য অস্ত গেলে,
আটটি পুরোহিত গ্রহ চাঁদের স্লোগান নিয়ে,
ঢুকে পড়বে পাঁজর ভাঙ্গা ঋণের ভেতর।
নিদারুণ দুঃস্বপ্নে দেখবো একটি শর্তবিহীন রাত
গলে যাচ্ছে। গলে যাচ্ছে উজাড় রতিক্রিয়া।
ঐ চোখে বসে থাকা এই দু-টি চোখ।
পরস্পর খুলে রাখা শরীরের বসবাস শেষ হলে,
এক অপূর্ণ তৃপ্তি কার কাছে যাবে বলো ?
কার কাছে তুমুল হয়ে উঠবে আবার ?
যতটা দূরে যাও ততটাই নিঃশর্ত ভালোবাসি।
নিপুণ প্রতিযোগিতা নেই আমার।

[ বিধান মার্কেট, শিলগুড়ি,ভারত ]