সাভারে জেএমবির ৬ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত: ২:৪৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২০ | আপডেট: ২:৪৬:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২০

লন্ডন টাইমস নিউজ।সাভারে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়েতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবির) সক্রিয় ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৪ এর সদস্যরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে বেশকিছু উগ্রবাদী বই, লিফলেট, সাময়িকী ও ডিজিটাল কনটেন্টসহ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার ভোররাতে সাভার পৌর এলাকার বাড্ডা ভাটপাড়া মহল্লা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জেএমবির সদস্যরা হলেন- রাজশাহী জেলার ওমর ফারুক রুবেল ওরফে সানী (২৮), জামালপুর জেলার হাবিবুর রহমান ওরফে বাদশা (৪৮), একই জেলার সাইদুর রহমান ওরফে সাইদুর (৫৫), মাহবুবুর রহমান ওরফে দুদু (৫৫), শফিকুল ইসলাম শফিক (৩৭) ও গোলাম মোস্তফা (৫১)।

র‌্যাব জানায়, কিছু জেএমবি সদস্য সাভারের বাড্ডা ভাটপাড়া এলাকায় সংঘবদ্ধ হয়েছে এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সক্রিয় ৬ সদস্যকে গ্রেফতার এবং তাদের কাছ থেকে বেশকিছু উগ্রবাদী বই, লিফলেট, সাময়িকী ও ডিজিটাল কনটেন্ট, মোবাইল ও ডিজিটাল কনভারসেশনসহ বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মাদ্রাসা শিক্ষক ওমর ফারুক একজন শীর্ষস্থানীয় জেএমবি নেতার কাছ থেকে বিভিন্ন এনক্রিপটেড সফটওয়্যার ও মোবাইল এ্যাপস সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহণ করেন। যা সংগঠনের প্রয়োজনে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হত। তার ব্যবহৃত মোবাইল থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী ডিজিটাল কন্টেন্ট পাওয়া গেছে। এছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া গোলাম মোস্তফা ২০০৪ সালে জামালপুরে মুসলিম থেকে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত আলোচিত গনি গোমেজ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিল।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হাবিবুর রহমান জামালপুর সদর থানার ঘোড়াধাপ এলাকায় গত ১০ বছর ধরে জিএমবিকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। সে ও তার সহযোগীরা গোপনে মোটিভেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেপ্তারকৃত সাইদুর রহমান জেএমবিকে আরো শক্তিশালী করতে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও অসচ্ছল সদস্যদের মনোবল ধরে রাখতে বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা করে থাকেন। এ ছাড়া মাহবুবুর রহমান জেএমবি সদস্যদের মাঝে জঙ্গি সংক্রান্ত বিভিন্ন বই, ম্যাগাজিন নিয়মিত গোপনে বিতরণ করে থাকেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাজেদুল ইসলাম সজল জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়েতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের সদস্য বলে স্বীকার করেছে।