বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত: ১২:১০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০২০ | আপডেট: ১২:১০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০২০

লন্ডন টাইমস নিউজ, ঢাকা।বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ চিত্রশিল্পী ও ভাষাসংগ্রামী মুর্তজা বশীরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবংপররাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ এ কে আবদুল মোমেন ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) পৃথক শোকবার্তায় এ শোক প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘মুর্তজা বশীরের মৃত্যু দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তার সৃষ্টি ও কর্ম তরুণ প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’

অপর এক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের চিত্রকলার বিকাশে মুর্তজা বশীর যে অনন্য অবদান রেখেছেন তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্ররেণা যুগিয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন।

এক শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিল্পকলায় মুর্তজা বশীরের অবদান অবিস্মরনীয়। প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ছেলে মুর্তজা বশীর ছিলেন বিমূর্ত ধারার চিত্রকলার অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর অবদান এদেশের মানুষ চিরদিন স্মরণ রাখবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড ১৯) আক্রান্ত এ শিল্পী রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শিল্পীর মেয়ে মুনীর বশীর  জানান, তার বাবা হৃদরোগ, ফুসফুস ও কিডনি জটিলতা নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শুক্রবার তার করোনা পজিটিভ আসে।

৮৮ বছর বয়সী মুর্তজা বশীর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। এর আগেও তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল।

চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের জন্ম ১৯৩২ সালের ১৭ আগস্ট। তার বাবা প্রখ্যাত জ্ঞানতাপস বহু ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।