পাকিস্তানের জন্য আরও ৩টি সর্ব-বৃহৎ যুদ্ধজাহাজ বানাচ্ছে চীন

প্রকাশিত: ৫:২০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২০ | আপডেট: ৫:২০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০২০

লন্ডন টাইমস নিউজ।পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্র দীর্ঘদিনের। তবে চীন-ভারত সংঘর্ষের পরই ক্রমশ সম্পর্ক গভীর হচ্ছে দেশ দুটির মধ্যে। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান নৌবাহিনীকে একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ দিয়েছে চীন। এরকম আরও তিনটি যুদ্ধজাহাজ পাকিস্তানের নৌসেনার জন্য বানাচ্ছে বেইজিং।

প্রসঙ্গত, এত বড় যুদ্ধজাহাজ অন্য কোনও দেশের জন্য আগে বানায়নি চীন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, আগামী বছরেই বাকি যুদ্ধজাহাজ গুলো পাকিস্তানকে হস্তান্তর করবে বেইজিং।

রোববার পাকিস্তান নৌবাহিনীর মুখপাত্র অ্যাডমিরাল আরশিদ জাভেদ এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, চীনের সাংগাই শহরের হুডং জংগুয়া শিপিয়ার্ডে অত্যাধুনিক রণতরীটির ০৫৪ লঞ্চিং অনুষ্ঠান হয়। এতে পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রধান আজফার হুমায়ুন যোগদান করেন।

এই রণতরীতে সর্বশেষ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সংযোজন করা হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি এটি থেকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে ভূমিতেও আক্রমণ করা যাবে।

এতে অত্যাধুনিক সেন্সর ও যুদ্ধ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সংযুক্ত রয়েছে। করোনার মধ্যেও রণতরীটি সম্পূর্ণ করা পাকিস্তানি নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে টুইট বার্তায় চীনা শিপইয়ার্ডকে ধন্যবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি শান্তি ও স্থিতিশীলতায় এটি ভূমিকা রাখবে বলেও টুইট বার্তায় বলা হয়।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, সর্বপ্রথম ২০১৭ সালে দুটি যুদ্ধজাহাজের জন্য চীনা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে পাকিস্তান। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে আরও যুদ্ধজাহাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় দেশটি।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চীন সফরের দিন দুয়েকের মধ্যেই এই যুদ্ধজাহাজ প্রকাশ্যে এল। ৪০০০ টন লোড ডিসপ্লেসমেন্টের ক্ষমতাসম্পন্ন এই জাহাজে আছে অত্যাধুনিক রাডার ও মিসাইল ব্যবস্থা। পাশাপাশি এতে সোনার সিস্টেম সংযুক্ত করা হয়েছে। জাহাজটিতে ১৬৫ জন নাবিক অবস্থান করতে পারবেন।