লক্ষ্মীপুরে ৭টি অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত: ১:৪৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৬, ২০২০ | আপডেট: ১:৪৩:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৬, ২০২০
অ আ আবীর আকাশ,জেলা প্রতিনিধি: নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা এবং নবায়ন করা হয়নি এমন অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ১০ টি প্রাইভেট হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছেন সিভিল সার্জন। আজ দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় নবায়ন না থাকা ও ডিপ্লোমা নার্স না থাকাসহ অন্যান্য অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় মাতৃছায়া ও সেবা হাসপাতাল ছাড়া ৭টি প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধের জন্য মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
হসপিটাল গুলো হচ্ছে  মডার্ণ, মেঘনা, মেহেরুন্নেসা, জনসেবা, ম্যাক্সকেয়ার, মা ও শিশু নিরাময় হাসপাতাল।অভিযানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুল গফ্ফার ও রায়পুর সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার বাহারুল আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিভিল সার্জন ডাক্তার আব্দুর গফ্ফার বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা বা সিলগালা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা চাচ্ছি, আমাদের সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো সুষ্ঠু নিয়মে চলুক। আইনের মধ্যে থেকে সেবা নিশ্চিত করুক।সিভিল সার্জন আরও বলেন, গত ২৩ আগষ্ট নবায়ন করার শেষ সময় পার হলেও তা না করাসহ রায়পুরে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে সমস্যা পাওয়া গেছে। সেজন্য হাসপাতাল কতৃপক্ষকে কাগজপত্রসহ অন্যান্য সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আজ দুপুর ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত অভিযানে সিভিল সার্জনসহ তার টিম অপারেশন থিয়েটার, ফার্মেসি, প্যাথলজিক্যাল ল্যাব পরিদর্শন করেন, কাগজপত্র যাচাই বাছাই করেন।রায়পুর সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার বাহারুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি “হাসপাতালগুলোর লাইসেন্সের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের” উল্লেখ করে এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লক্ষ্মীপুর প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক এসোসিশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান তুহিন বলেন, সরকারের সকল নিয়ম মেনে কাগজপত্র ও টাকা জমা দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। কিন্তু কর্মকর্তাদের হয়রানির কারনে কাগজপত্র পেতে দেরি হচ্ছে। নবায়ন না করায় রায়পুরে ২টি ছাড়া ৭ টি হাসপাতালকে মৌখিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি।