বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৩৬

প্রকাশিত: ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০ | আপডেট: ৭:০৯:অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

লন্ডন টাইমস নিউজ।রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকা সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে ২ জন শিশু ৫ মহিলা ও ২৩ পুরুষ। সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় এ লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে।সোমবার (২৯ জুন) বেলা সোয়া ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্ট গার্ড। তাদের সঙ্গে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন স্থানীয়রাও।

এ রিপোর্ট লেখার সময় বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৩৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৫ জন নারী ও ২ জন শিশু রয়েছে।

উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে। অভিযান শেষে হলে বিস্তারিত জানাবে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা শেষে প্রাণহানির সঠিক সংখ্যা জানানো হবে।

সূত্রে জানা গেছে, সকাল পৌনে ৮টার দিকে মর্নিং বার্ড লঞ্চটি অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পথে শ্যামবাজার পয়েন্টে ময়ূর-২ নামের লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে ডুবে যায় সেটি।

কেরানীগঞ্জের একটি ডকইয়ার্ড থেকে মেরামত শেষে ময়ূর-২ নদীতে নামানোর সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

তবে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি থেকে কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠলেও অন্যরা তলিয়ে যান বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ময়ূর-২ নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় কমপক্ষে ৫০ যাত্রী নিয়ে ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ রুটের মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়। লঞ্চটি থেকে কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠলেও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে ইতোমধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালচ্ছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ছিলেন ওই লঞ্চে। এরমধ্যে নিখোঁজ হয়ে যান প্রায় ৭০ জন। তা থেকে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এরইমধ্যে।