কাতারের শ্রম আইনে পরিবর্তন- ন্যূনতম মজুরি ১০০০ রিয়াল, কাজ পাল্টাতে মালিকের অনুমতি লাগবেনা

প্রকাশিত: ৮:২৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০২০ | আপডেট: ১১:৩৮:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০২০

লন্ডন টাইমস নিউজ।আল জাজিরা। শ্রম আইনে ঐতিহাসিক পরিবর্তন এনেছে কাতার। নতুন এক ঘোষণায় দেশটির প্রশাসনিক উন্নয়ন, শ্রম ও সামাজিক বিষয় (এমএডিএলএসএ) বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন থেকে কাজ পাল্টাতে নিয়োগদাতার অনুমতির প্রয়োজন হবে না অভিবাসী শ্রমিকদের। একইসঙ্গে তারি ন্যূনতম মাসিক মজুরি হবে ১০০০ কাতারি রিয়াল।

খবরে বলা হয়, অভিবাসী শ্রমিকদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত হয়ে আসছে কাতার। ওঠেছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও। ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক হওয়ার পর থেকেই এসব বিষয় ওঠে আসছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। চাপের মুখে শ্রম আইন সংশোধন করা শুরু করেছে কাতার।

কাতারের ‘কাফালা’ (পৃষ্ঠপোষকতার আরবি শব্দ) পদ্ধতির আওতায়, কোনো অভিবাসী শ্রমিক কাজ পাল্টাতে চাইলে আগে তাকে বর্তমান নিয়োগদাতার অনুমতি- একটি অনাপত্তি সনদ (এনওসি)- সংগ্রহ করতে হতো। শ্রম অধিকারকর্মীদের মতে, এই আইন দেশটিতে নিয়োগদাতাদের হাতে শ্রমিকদের নির্যাতন ও অপব্যবহারে ভূমিকা রাখতো।নতুন ঘোষণা অনুসারে, কাজ পাল্টাতে কোনো অনাপত্তি সনদ লাগবে না অভিবাসী শ্রমিকদের।

শ্রম আইনে ঐতিহাসিক পরিবর্তন এনেছে কাতার। নতুন এক ঘোষণায় দেশটির প্রশাসনিক উন্নয়ন, শ্রম ও সামাজিক বিষয় (এমএডিএলএসএ) বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন থেকে কাজ পাল্টাতে নিয়োগদাতার অনুমতির প্রয়োজন হবে না অভিবাসী শ্রমিকদের। একইসঙ্গে তারি ন্যূনতম মাসিক মজুরি হবে ১০০০ কাতারি রিয়াল।

খবরে বলা হয়, অভিবাসী শ্রমিকদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত হয়ে আসছে কাতার। ওঠেছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও। ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক হওয়ার পর থেকেই এসব বিষয় ওঠে আসছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। চাপের মুখে শ্রম আইন সংশোধন করা শুরু করেছে কাতার।

কাতারের ‘কাফালা’ (পৃষ্ঠপোষকতার আরবি শব্দ) পদ্ধতির আওতায়, কোনো অভিবাসী শ্রমিক কাজ পাল্টাতে চাইলে আগে তাকে বর্তমান নিয়োগদাতার অনুমতি- একটি অনাপত্তি সনদ (এনওসি)- সংগ্রহ করতে হতো। শ্রম অধিকারকর্মীদের মতে, এই আইন দেশটিতে নিয়োগদাতাদের হাতে শ্রমিকদের নির্যাতন ও অপব্যবহারে ভূমিকা রাখতো।
নতুন ঘোষণা অনুসারে, কাজ পাল্টাতে কোনো অনাপত্তি সনদ লাগবে না অভিবাসী শ্রমিকদের।