হাসিনা-খালেদার শুভেচ্ছা আমার করোনামুক্তিতে সহায়ক হয়েছে

প্রকাশিত: ১১:০১ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০ | আপডেট: ১১:০১:পূর্বাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০

ঢাকা, প্রতিনিধি, লন্ডন টাইমস।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা আমার দ্রুত রোগ ‘করোনা’ মুক্তিতে সহায়ক হয়েছে। এ কথা বলেছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার ধানমণ্ডি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা থেকে রোগ মুক্তি হওয়ায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এ কথা বলেন।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা ও জনগণের ক্রমাগত দোয়া ও ভালোবাসা আমার দ্রুত রোগ মুক্তিতে সহায়ক হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল সাজ্জাদ, তারিক সুজাত, সাবের চৌধুরী এমপি ও আসাদুজ্জামান নূর এমপির চেষ্টায় স্থান সংকট সত্বেও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট বিগ্রেডিয়ার নাসির উদ্দিন ও অধ্যাপকবৃন্দ আমার চিকিৎসার জন্য সর্বাত্মক সাহায্য ও প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।

জাফরুল্লাহ বলেন, বন্ধুবর ডা. কাজী কামরুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবলু, নঈম জাহাঙ্গীর, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, তৌফিক এলাহী চৌধুরী ও সৈয়দ আবুল মাকসুদ সার্বক্ষণিক নজরদারি করেছেন।

গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিগ্রেডিয়ার মামুন মুস্তাফী ও আইসিইউ প্রধান অধ্যাপক নজীব মোহাম্মদের সকাল থেকে রাত অবধি হাসপাতালে আমার শয্যার পাশে উপস্থিতি এবং সেবিকা ও ফিজিওথেরাপিস্টদের হাসিমুখে অক্লান্ত পরিশ্রম করায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের হেমোটলজির অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমদ খানের পরামর্শে গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ডা. সাইমুম আরাফাত পান্থের চেষ্টায় কয়েকবার প্লাজমা দেয়ায় আমার শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক তারিক আলম, মাগুড়ার ডিপ্লোমা চিকিৎসক ডা. খলিলুর রহমান এবং বিদেশস্থ বন্ধু স্থানীয় বহু চিকিৎসকদের নিয়মিত পরামর্শ আমার রোগ মুক্তিতে সহায়ক হয়েছে। তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান জাফরুল্লাহ।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, বোন ঝিনু, ভ্রাতৃবধু বেলু ও পারিবারিক বন্ধু সাফিয়া আজিমের আকর্ষণীয় পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ এবং শিরীন হক ও বারীশ হাসান চৌধুরীর জাপানী সুশি সরবরাহ বৈচিত্র্য দিয়েছে। তাই আমি সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে ভাগ্যবান করোনা রোগী। সবাইকে জানাই আমার এবং গণস্বাস্থ্য পরিবারের অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা।

আমি বাংলাদেশে যেরূপ স্বাস্থ্য সুবিধা পেয়েছি, দেশের সকল করোনা রোগী যেন সমমানের চিকিৎসা সুবিধা পায়, এটাই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাধনা ও লক্ষ্য। আর বিদেশ নয়, দেশেই চিকিৎসা নিন